স্টাফ রিপোর্টারঃ গত ০৪/০৯/২৩ তারিখ বিকাল অনুমান ০৫.০০ ঘটিকায় ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী মডেল থানাধীন চকনজু সাকিনস্থ মির্জা পার্কের পূর্ব পাশে মির্জা মঞ্জুরুল হকের পুকুরে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির লাশ পাওয়া যায়। অতঃপর কোতোয়ালী থানা পুলিশ পুকুর হতে লাশ উদ্ধার পূর্বক হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করিয়া এই সংক্রান্তে কোতোয়ালী মডেল থানার জিডি নং-৩৫৮ তারিখ-০৪/০৯/২০২৩ খ্রি. লিপিবদ্ধ করা হয়। পরবর্তীতে উক্ত লাশের নাম-ঠিকানা সনাক্ত করে কোতোয়ালী থানার এসআই (নিঃ) নিরুপম নাগ, এসআই (নিঃ) আনোয়ার হোসেন, এএসআই (নিঃ) সুজন চন্দ্র সাহা এবং কং/৪৮৩ জোবায়েদ, কং/১৪৬২ মিজানুর রহমান সহ পুলিশের একটি চৌকস টীম অনুসন্ধান শুরু করেন। স্থানীয়ভাবে প্রাপ্ত তথ্যাদি ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মোঃ শরীফ মিয়া (২৫), পিতা-মৃত আঃ গনি, সাং-মোকামিয়া পূর্বপাড়া, থানা-ফুলপুর, জেলা-ময়মনসিংহকে নরসিংদী জেলার শিবপুর থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, ঘটনায় নিহত তানজিল মিয়া (২৫), পিতা-জালাল উদ্দীন, সাং-ধলী, থানা-ফুলপুর, জেলা-ময়মনসিংহ ও ধৃত আসামী মোঃ শরীফ মিয়াসহ একত্রে বিভিন্ন সময়ে একসাথে বিভিন্ন ধরনের চুরি করত। চোরাই মালের ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে পূর্ব হতে কলহ ছিল। এরই জের ধরে গত ০৩/০৯/২০২৩ তারিখ ভালুকা থানার সীডষ্টোর এলাকা হতে আসামী শরিফসহ আরো ০১ জন পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে তানজিল-কে হত্যার উদ্দেশ্যে রাত অনুমান ০৮.০০ ঘটিকায় কোতোয়ালী থানাধীন চুরখাই এলাকায় নিয়ে আসে। এরপর তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে একত্রে মাদক সেবন করার এক পর্যায়ে আসামী শরীফ মিয়ার পরিহিত কোমরের বেল্ট দিয়ে গলা পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ মির্জা মঞ্জুরুল হকের পুকুরে ফেলে রেখে চলে যায়।
এ সংক্রান্তে কোতোয়ালী মডেল থানার এফআইআর নং-২৫, তারিখ-০৭/০৯/২০২৩ খ্রি. ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড রুজু করা হয়। আসামী শরীফের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানার এফআইআর নং-২/১৬৮, তারিখ-০৪ সেপ্টেম্বর,২০২১ ধারা-৪৬১/৩৮০ পেনাল কোড রুজু আছে। বিধি মোতাবেক আসামী শরীফ-কে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হলে আসামী হত্যাকান্ডের সহিত জড়িত মর্মে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে জবানবন্দী প্রদান করেন।