বৃহস্পতিবার , ডিসেম্বর ২ ২০২১
Home / জাতীয় / সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদ চলে গেলেন না ফেরার দেশে

সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদ চলে গেলেন না ফেরার দেশে

প্রতিদিনের তথ্য. কম ডেস্ক: বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান, সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার (১৪ জুন) সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। হাসপাতালের একটি দায়িত্বশীল সূত্র এ খবর নিশ্চিত করেছেন বলে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম এখবর প্রকাশ করে।

গত ২২ জুন থেকে সিএমএইচে চিকিৎসাধীন ছিলেন এরশাদ। তিনি হিমোগ্লোবিন-স্বল্পতা, ফুসফুসে সংক্রমণ ও কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২৬ জুন থেকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) লাইফসাপোর্ট ছিলেন এরশাদ।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় এই নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

এর আগে এরশাদের শারীরিক অবস্থার অবনতির কথা জানান তার ছোট ভাই ও জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি বলেছিলেন, তিন দিন ধরে দলের চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত আছে। চিকিৎসকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী শারীরিক উন্নতি হচ্ছে না তার। এরশাদের ফুসফুসের সংক্রমণ প্রত্যাশা অনুযায়ী কমছে না। প্রয়োজন অনুযায়ী কিডনি কাজ করছে না, এ কারণে তার শরীরে কিছুটা পানি জমেছে।

১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রংপুর জেলায় দিনহাটায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫২ সালে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। ১৯৬০ – ১৯৬২ সালে তিনি চট্টগ্রাম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কেন্দ্রে অ্যাডজুট্যান্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৬৬ সালে তিনি কোয়েটার স্টাফ কলেজ থেকে স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি শিয়ালকোটে ৫৪ ব্রিগেডের মেজর ছিলেন। ১৯৬৯ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি লাভের পর ১৯৬৯-১৯৭০ সালে ৩য় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট-এর অধিনায়ক ও ১৯৭১ – ১৯৭২ সালে ৭ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর অধিনায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রংপুর জেলায় দিনহাটায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫২ সালে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। ১৯৬০ – ১৯৬২ সালে তিনি চট্টগ্রাম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কেন্দ্রে অ্যাডজুট্যান্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৬৬ সালে তিনি কোয়েটার স্টাফ কলেজ থেকে স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি শিয়ালকোটে ৫৪ ব্রিগেডের মেজর ছিলেন। ১৯৬৯ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি লাভের পর ১৯৬৯-১৯৭০ সালে ৩য় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট-এর অধিনায়ক ও ১৯৭১ – ১৯৭২ সালে ৭ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর অধিনায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি টানা নয় বছর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং পল্লিবন্ধু খ্যাতি লাভ করেন, তিনি দেশের ২১ টি জেলা ভেংঙ্গে ৬৪ টি জেলা ঘোষণা করেন, তিনি রেডিও টেলিভিশনেে আযান প্রচারসহ বিভিন্ন স্থানে নতুন নতুন মসজিদ তৈরি ও জাতিয় ঈদগাহ্ নির্মাণ করেন,তিনি মসজিদ, মন্দির গীর্জা, বৌদ্ধদের মঠের পানি ও বিদুৎ বিল স্হায়ী ভাবে মওকুফ সহ ধর্ম ও দেশের জন্য অবিস্মরণীয় কাজ করে যান, তিনি বিশ্বাস করতেন প্রতিটি গ্রাম বাঁচলে দেশ বাঁচবে, তাই তার স্লোগান ছিল ৬৮ হাজার গ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।
: তথ্য সংগ্রহিত

About Pratidiner Tottho

Check Also

ময়মনসিংহে ৩য় দিন লকডাউন বাস্তবায়নে ৫১২টি মামলা এবং ৩,৮১,৫৭৫/- টাকা অর্থদন্ড

গোলাম কিবরিয়া পলাশঃ কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে টানা তিন ধরে ময়মনসিংহ নগরীর অলিগলি ছাড়াও উপজেলা পর্যায়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
সর্বশেষ
গৌরীপুরে লকডাউন অমান্য করায় ১৬ মামলায় ১৬৯০০টাকা জরিমানা রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার রহস্য উদঘাটনে বিরোধী দলীয় নেতার আহবান।। গৌরীপুরে লকডাউনের আটদিনে ২০৪টি মামলায়২লাখ ২১ হাজার ৬শ টাকা জরিমানা আদায় লাশের পাশে বসা শিশু মরিয়মকে নওগাঁ পুলিশের অনুদান নেত্রকোণায় লকডাউন পরিদর্শন ও মতবিনিময়ে ময়মনসিংহের রেঞ্জ ডিআইজি ময়মনসিংহ জেলা শহরে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণে চলছে অভিযান ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ৫৬ জন করোনা আক্রান্ত পূর্বধলায় লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠে রয়েছেন প্রশাসনসহ বিভিন্ন বাহিনী ময়মনসিংহে ৩য় দিন লকডাউন বাস্তবায়নে ৫১২টি মামলা এবং ৩,৮১,৫৭৫/- টাকা অর্থদন্ড জীবন বাঁচলে সুস্থ থাকলে চলাচলের সুযোগ পাবেন-পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আহমার উজ্জামান