বৃহস্পতিবার , জানুয়ারি ২৮ ২০২১
Home / জাতীয় / সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদ চলে গেলেন না ফেরার দেশে

সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদ চলে গেলেন না ফেরার দেশে

প্রতিদিনের তথ্য. কম ডেস্ক: বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান, সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার (১৪ জুন) সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। হাসপাতালের একটি দায়িত্বশীল সূত্র এ খবর নিশ্চিত করেছেন বলে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম এখবর প্রকাশ করে।

গত ২২ জুন থেকে সিএমএইচে চিকিৎসাধীন ছিলেন এরশাদ। তিনি হিমোগ্লোবিন-স্বল্পতা, ফুসফুসে সংক্রমণ ও কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২৬ জুন থেকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) লাইফসাপোর্ট ছিলেন এরশাদ।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় এই নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

এর আগে এরশাদের শারীরিক অবস্থার অবনতির কথা জানান তার ছোট ভাই ও জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি বলেছিলেন, তিন দিন ধরে দলের চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত আছে। চিকিৎসকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী শারীরিক উন্নতি হচ্ছে না তার। এরশাদের ফুসফুসের সংক্রমণ প্রত্যাশা অনুযায়ী কমছে না। প্রয়োজন অনুযায়ী কিডনি কাজ করছে না, এ কারণে তার শরীরে কিছুটা পানি জমেছে।

১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রংপুর জেলায় দিনহাটায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫২ সালে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। ১৯৬০ – ১৯৬২ সালে তিনি চট্টগ্রাম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কেন্দ্রে অ্যাডজুট্যান্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৬৬ সালে তিনি কোয়েটার স্টাফ কলেজ থেকে স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি শিয়ালকোটে ৫৪ ব্রিগেডের মেজর ছিলেন। ১৯৬৯ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি লাভের পর ১৯৬৯-১৯৭০ সালে ৩য় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট-এর অধিনায়ক ও ১৯৭১ – ১৯৭২ সালে ৭ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর অধিনায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রংপুর জেলায় দিনহাটায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫২ সালে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। ১৯৬০ – ১৯৬২ সালে তিনি চট্টগ্রাম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কেন্দ্রে অ্যাডজুট্যান্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৬৬ সালে তিনি কোয়েটার স্টাফ কলেজ থেকে স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি শিয়ালকোটে ৫৪ ব্রিগেডের মেজর ছিলেন। ১৯৬৯ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি লাভের পর ১৯৬৯-১৯৭০ সালে ৩য় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট-এর অধিনায়ক ও ১৯৭১ – ১৯৭২ সালে ৭ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর অধিনায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি টানা নয় বছর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং পল্লিবন্ধু খ্যাতি লাভ করেন, তিনি দেশের ২১ টি জেলা ভেংঙ্গে ৬৪ টি জেলা ঘোষণা করেন, তিনি রেডিও টেলিভিশনেে আযান প্রচারসহ বিভিন্ন স্থানে নতুন নতুন মসজিদ তৈরি ও জাতিয় ঈদগাহ্ নির্মাণ করেন,তিনি মসজিদ, মন্দির গীর্জা, বৌদ্ধদের মঠের পানি ও বিদুৎ বিল স্হায়ী ভাবে মওকুফ সহ ধর্ম ও দেশের জন্য অবিস্মরণীয় কাজ করে যান, তিনি বিশ্বাস করতেন প্রতিটি গ্রাম বাঁচলে দেশ বাঁচবে, তাই তার স্লোগান ছিল ৬৮ হাজার গ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।
: তথ্য সংগ্রহিত

About Pratidiner Tottho

Check Also

দলিল তল্লাশি ও নকল প্রাপ্তির নিয়মাবলী

অনেকই দলিল তল্লাশি ও নকল প্রাপ্তির সঠিক নিয়ম না জানার কারণে জঠিলতায় পরে আইন জানার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
সর্বশেষ
নেত্রকোণা জেলা আইনজীবী সমিতির নব নির্বাচিত সভাপতি আমিনুল হক খান মুকুল, সম্পাদক শফিউল হাসান মঞ্জু ময়মনসিংহে ডিবি অভিযানে জসিম হত্যা মামলার আসামি সুজন গ্রেপ্তার সাতক্ষীরায় শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার মামলার রায় ৪ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহে বাংলাদেশ তৃণমূল সাংবাদিক কল্যাণ সোসাইটির ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন দলিল তল্লাশি ও নকল প্রাপ্তির নিয়মাবলী ডিবি অভিযানে পূর্বধলার বৈরাটি থেকে৫৫০ পিস ইয়াবা সহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সাতক্ষীরায় ১১৪৯টি ভূমিহীন পরিবারে গৃহ প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সাতক্ষীরায় চেতনা নাশক স্প্রে ব্যবহার কারি চোর গ্রেফতার ৯ ইজিবাইক উদ্ধার ৩ গৌরীপুর পৌরসভা নির্বাচনে প্রতিক বরাদ্দ বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ময়মনসিংহে দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণে র‌্যাব-১৪