শনিবার , নভেম্বর ২৬ ২০২২
Home / জাতীয় / সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদ চলে গেলেন না ফেরার দেশে

সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদ চলে গেলেন না ফেরার দেশে

প্রতিদিনের তথ্য. কম ডেস্ক: বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান, সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার (১৪ জুন) সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। হাসপাতালের একটি দায়িত্বশীল সূত্র এ খবর নিশ্চিত করেছেন বলে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম এখবর প্রকাশ করে।

গত ২২ জুন থেকে সিএমএইচে চিকিৎসাধীন ছিলেন এরশাদ। তিনি হিমোগ্লোবিন-স্বল্পতা, ফুসফুসে সংক্রমণ ও কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২৬ জুন থেকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) লাইফসাপোর্ট ছিলেন এরশাদ।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় এই নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

এর আগে এরশাদের শারীরিক অবস্থার অবনতির কথা জানান তার ছোট ভাই ও জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি বলেছিলেন, তিন দিন ধরে দলের চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত আছে। চিকিৎসকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী শারীরিক উন্নতি হচ্ছে না তার। এরশাদের ফুসফুসের সংক্রমণ প্রত্যাশা অনুযায়ী কমছে না। প্রয়োজন অনুযায়ী কিডনি কাজ করছে না, এ কারণে তার শরীরে কিছুটা পানি জমেছে।

১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রংপুর জেলায় দিনহাটায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫২ সালে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। ১৯৬০ – ১৯৬২ সালে তিনি চট্টগ্রাম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কেন্দ্রে অ্যাডজুট্যান্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৬৬ সালে তিনি কোয়েটার স্টাফ কলেজ থেকে স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি শিয়ালকোটে ৫৪ ব্রিগেডের মেজর ছিলেন। ১৯৬৯ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি লাভের পর ১৯৬৯-১৯৭০ সালে ৩য় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট-এর অধিনায়ক ও ১৯৭১ – ১৯৭২ সালে ৭ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর অধিনায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রংপুর জেলায় দিনহাটায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫২ সালে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। ১৯৬০ – ১৯৬২ সালে তিনি চট্টগ্রাম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কেন্দ্রে অ্যাডজুট্যান্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৬৬ সালে তিনি কোয়েটার স্টাফ কলেজ থেকে স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি শিয়ালকোটে ৫৪ ব্রিগেডের মেজর ছিলেন। ১৯৬৯ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি লাভের পর ১৯৬৯-১৯৭০ সালে ৩য় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট-এর অধিনায়ক ও ১৯৭১ – ১৯৭২ সালে ৭ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর অধিনায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি টানা নয় বছর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং পল্লিবন্ধু খ্যাতি লাভ করেন, তিনি দেশের ২১ টি জেলা ভেংঙ্গে ৬৪ টি জেলা ঘোষণা করেন, তিনি রেডিও টেলিভিশনেে আযান প্রচারসহ বিভিন্ন স্থানে নতুন নতুন মসজিদ তৈরি ও জাতিয় ঈদগাহ্ নির্মাণ করেন,তিনি মসজিদ, মন্দির গীর্জা, বৌদ্ধদের মঠের পানি ও বিদুৎ বিল স্হায়ী ভাবে মওকুফ সহ ধর্ম ও দেশের জন্য অবিস্মরণীয় কাজ করে যান, তিনি বিশ্বাস করতেন প্রতিটি গ্রাম বাঁচলে দেশ বাঁচবে, তাই তার স্লোগান ছিল ৬৮ হাজার গ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।
: তথ্য সংগ্রহিত

About Pratidiner Tottho

Check Also

ধোবাউড়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ধোবাউড়া প্রতিনিধি আব্দুল মতিন মাসুদ: ময়মনসিংহ ধোবাউড়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন উপলক্ষে ১৩ অক্টোবর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
সর্বশেষ
হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত: ময়মনসিংহের পরানগঞ্জে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিট পুলিশিং সভা মসিকে সাড়ে ১০কোটি টাকার রাস্তা ও ড্রেনের নির্মাণকাজ উদ্বোধন ১৫ দিন পর ছিনতাইকারীকে ধরলেন নারী দুই দিনব্যাপী পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কোয়ার্টারলি কনফারেন্স শুরু নুরুল ইসলাম পাঠান এর খুনের প্রধান আসামী পিবিআই হাতে গ্রেফতার খাজাবাগ দরবার শরীফে বড়পীর সাহেব হুজুরের ওরছ মোবারক অনুষ্ঠিত পূর্বধলায় ফাঁসিতে স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত