বৃহস্পতিবার , মে ১৩ ২০২১
Home / Uncategorized / বইলরে ২০বছরে বিবাদ একদিনে সমাধানে জনতার প্রশংসায় ভাসছে শাহানশাহ

বইলরে ২০বছরে বিবাদ একদিনে সমাধানে জনতার প্রশংসায় ভাসছে শাহানশাহ

আরিফ রববানীঃ
ত্রিশালের বইলরে ২০বছরে বিবাদ একদিনে সমাধানে জনতার প্রশংসায় ভাসছেন ইউনিয়নের তরুণ সমাজ সেবক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মশিহুর রহমান শাহানশাহ ।

সমাজ, সভ্যতা, শিক্ষা ও সাহিত্য সংস্কৃতির উন্নয়ন সহ অবহেলিত মানুষের কল্যানে কাজ করে চলছেন ত্রিশাল উপজেলার বইলর ইউনিয়নের তরুণ সমাজ সেবক মশিহুর রহমান শাহানশাহ । শৈশব থেকেই তিনি স্বপ্ন দেখেন একটি সবুজ সুন্দর সুখি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের। যেখানে মানুষে মানুষে থাকবেনা কোন বৈষম্য এবং সকল অন্যায় অবিচার ও অসাম্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর দৃপ্ত শপথে এগিয়ে চলবে সমাজ।

তার সেই স্বপ্নের বাস্তবায়ন নিয়েই এগিয়ে চলছেন তিনি। নিজের সাংসারিক চিন্তা-ভাবনা ছেড়ে তিনি ছুটছেন অবহেলিত মানুষের কল্যাণে। সমাজের অসহায় মানুষেবা, জনগণের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তিনি তার মেধা দিয়ে সমাধান দিচ্ছেন। অপরদিকে বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ব্যায় করছেন তার মেধা,শ্রম-অর্থ। মানুষের যে কোন কাজে ও ডাকে সারা দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। নিজে কোন জনপ্রতিনিধি না হয়েও মানুষের চাহিদা পুরণে জনপ্রতিনিধিদের কাজগুলো তিনি করছেন। এমনি ভাবে সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক হয়ে উঠছেন তরুণ এই ব্যবসায়ী। ৮ই ফেব্রুয়ারী শনিবার তিনি স্থানীয় জনতার মাঝে আরো আলোচনার ঝড় তলেছেন। প্রশংসার দাবিদার হয়ে উঠেছেন মানুষের কাছে। সেই দিন সকালে ইউনিয়নের দেওয়ানিয়া বাড়ী কাশেম আলী ও ওয়াজ উদ্দীনের মধ্যকার জমি নিয়ে ২০বছরের ঝগড়ার বিবাদ মিমাংসা করে আলোচনার স্থান দখল করেছেন।
ঘটনাকে জড়িয়ে প্রায় রক্তপাত,মারামারা লেগেই থাকতো। অবশেষ তিনি তার মেধার মাধ্যমে দুপক্ষের কলহ মিটিয়ে স্থানীয় গণমানুষের প্রশংসায় ভাসছেন।
পরে তিনি স্থানীয় মিলন বাজার এলাকায় পরিপাটি বিদ্যানিকেতন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্ভোধন করেন। উদ্ভোধনী বক্তব্যে বিদ্যালয়ে উন্নয়নে বিভিন্ন সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

মশিউর রহমান শাহানশাহ সমাজের অবহেলিত ও অনগ্রসর শিশু ও নারী পুরষ সহ সকলের কল্যাণে দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানুষ। এই মানুষের কল্যানেই আমি নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই। এক্ষেত্রে চাই সকল মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা। মানুষের কল্যানে কাজ করতে গিয়ে পরিবার থেকে কোন বাঁধা বিপত্তি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার এসব কাজে বড় প্রেরনা দেন আমার বাবা-মা। আমি মানুষের জন্য ভালো কাজ করলে তারা উভয়েই আরো আনন্দ বোধ করেন। আমার বাবা ছোট বেলা থেকেই মানুষের জন্য কাজ করতে প্রেরণা যোগিয়েছেন। বাবা নিজেও এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করায় ইউনিয়নবাসী তাকে বার-বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে থাকেন। তিনি বর্তমানেও এই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।

About Pratidiner Tottho

Check Also

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চরাঞ্চলের সোনালি ফসলে রুপালি রং

গোলাম কিবরিয়া পলাশঃ ময়মনসিংহের চরাঞ্চলে সোমবার রাতে আচমকা গরম বাতাসে কৃষকের আবাদ করা ধানের ব্যাপক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
সর্বশেষ