বুধবার , জানুয়ারি ১৩ ২০২১
Home / Uncategorized / জন বান্ধব সফল পুলিশ সুপার সৈয়দ নূরুল ইসলাম

জন বান্ধব সফল পুলিশ সুপার সৈয়দ নূরুল ইসলাম

নেপাল ধর ও এম ডি কামাল: ময়মনসিংহের সাবেক সফল পুলিশ সুপার সৈয়দ নূরুল ইসলাম বিপিএম (বার) পিপিএম এই ময়মনসিংহ জেলার দুই বছর সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন সত্যতা-বিশ্বস্ততা,অসীম, সাহসিকতা একজন ধার্মিক ও সাংস্কৃতিমনা মানুষ এই পুলিশ সুপার। ময়মনসিংহে দায়িত্বপালনকালে মাদক, সন্ত্রাস-জঙ্গী, ইভটিজিং, বাল্য বিবাহ দমনে তিনি ছিলেন সোচ্চার। এই জেলার চিহ্নিত কিছু মাদক ব্যবসায়ীরা হয়ে যায় চির তরে নিশ্বেষ

এই সফলতার কারণে এলাকা ভিত্তিক অনেক জায়গায় হয়েছে মিষ্টি বিতিরণ সেই সাথে জেলাবাসী ছিল স্বস্তিতে।তিনি ছিলেন ১জন ময়মনসিংহের জন বান্ধব সফল পুলিশ সুপার, তার ভিতরে লুকায়িত ছিল যেমন ধর্মের প্রতি অগাত ভালবাসা, তেমনি ছিলেন দক্ষ অসিম সাহসী তাঁর কাজের ভুল ধরবে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া গেছে, প্রতিটি কাজই করতেন নিখুত ভাবে এই এই পুলিশ সুপার।

ময়মনসিংহের যোগদানের প্রথম দিনেই তিনি ছুটে যান ফুলবাড়ীয়াতে দুই কিলোমিটার পায়ে হেটে সোজা চলে যান ঈদে কিশোরগঞ্জে শোলাকিয়া মাঠে জঙ্গী হামলা নিহত হওয়া পুলিশ কনস্টেবলের বাড়ীতে, সেখানে গিয়ে তিনি ফুলবাড়ীয়া থানার তৎকালীন ওসি রিফাত রাজিবকে সাথে নিয়ে তার পরিবারের সুখ-দুঃখের কথা শোনেন এবং নিহত হওয়া পুলিশ কনস্টেবলের মাকে বলেন আজ থেকে আমি আপনার সন্তান কোন কিছু প্রয়োজন হলে আমাকে জানাবেন

তৎকালীন সময়ে সদ্য যোগদানকৃত পুলিশ সুপারের সাথে গিয়ে ছিলাম আমিও। এসপি নূরুল ইসলাম নিজ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা নিহত কনস্টেবলের মায়ের হাতে তুলে দেন। আরও একটি সফল দায়িত্ব পালন করেন পুলিশ সুপার সৈয়দ নূরুল ইসলাম গৌরীপুরে এক পুলিশ কনস্টেবলকে দূবৃর্ত্তরা পিছন থেকে করে ছুরিকাঘাত। মৃত্যুশয্যা পুলিশ কনস্টেবকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় প্রেরণ করেন উন্নত চিকিৎসার জন্য এবং আহত পুলিশ কনস্টেবলের দুই সন্তানকে জড়িয়ে ধরে বলেন যে, “আল্লাহর রহমতে তোমাদের বাবার কিছু হবে না আমি আছি, যত টাকা প্রয়োজন চিকিৎসা ব্যয়ে আমি দেখবো”

এই দুটি ঘটনার সময় একজন পুলিশ সুপারের চোখ দিয়ে কি পরিমান পানি বের তা আমি নিজ চোখে দেখেছি। তাঁর কর্মকান্ড, অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান নিয়ে লেখার মতো ভাষা আমার নেই তবে কিছুটা উদাহরণ তুলে ধরেছি মাত্র। ময়মনসিংহে কর্মরত সময়ে যে উন্নয়ন জেলা পুলিশের হয়েছে আগে কিংবা অদ্যাবধি হয়নি। পুলিশ লাইনের পুকুর খনন ও সৌন্দর্যবর্ধন

বহুতল ভবন নির্মান, পুলিশ অফিসে দৃষ্টি নন্দন ভবন সেই সাথে জেলা পুলিশের বাসভবন টি যেনো একটি বিনোদন কেন্দ্র হয়েছে অল্প পয়সায় ব্যাপক উন্নয়ন করে দেখিয়েছে এই মহান মানুষটি। সেই সাথে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও নগরীর বিভিন্ন স্থানে উন্নতমানের সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে প্রিন্ট মিডিয়া-ইলেট্রিক মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ফলাও করে প্রচার হওয়ার পর প্রশংসার ঝড় উঠে তাকে নিয়ে

তার কর্তব্যরত অবস্থায় আমাদের দেখেছেন অনেকটাই তার আদরের ছোট ভাইয়ের মতো, তিনি এমন গুনের অধিকারী ছিলেন কোথায়ও ওয়াজ মাহফিলে অতিথি হয়ে গেলে সেখানে গিয়ে ইসলামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বার্তা বলতে যা শুনে শ্রোতারা মুগ্ধ হয়ে যেতেন, আর শ্রোতারা মনে মনে বলতেন তিনি কি একজন পুলিশ নাকি একজন ইসলামিক লেকচারাল

ময়মনসিংহে সাংস্কৃতিক অঙ্গণেও তিনি তুলেছেন ঝড় তার সঙ্গে কবিতা আবৃত্তি করে পেরে উঠা টা বড় কঠিন। রাখালের বাঁশির সুরে কতো মানুষ হতো পাগল। সেই বাঁশির মধুর সুর ছিল তার ভিতরে লুকিয়ে, সেই সুরে মুগ্ধ হতো সাংস্কৃতিমনা মানুষগুলো।
তার বদলীজনিত কারণে বিদায়লগ্ন টা ছিল সাগরের ঢেউ, এমন কান্না একজন পুলিশ সুপারের এর আগে আমি কখনও দেখেনি মনে হয়েছিল তিনি এই ময়মনসিংহের সন্তান

কারণ তিনি এ জেলায় কর্মরতকালীণ সময়ে এখানে গড়ে তুলেছেন বিশাল জনপ্রিয়তা, রাজনৈতিক, সুশীল সমাজ, নাগরিক আন্দোলন, সাংবাদিক, কবি-সাহিত্যিক নানা শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে ছিল গভীর সম্পর্ক

বাংলাদেশ পুলিশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র পুলিশ সুপার সৈয়দ নূরুল ইসলাম চাপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার গর্ব ও অহংকার এই পুলিশ সুপার। তার অঞ্চলের সর্বস্তরের মানুষের আস্থার প্রতিক তিনি তাঁরা বলেন আমাদের প্রাণের মানুষ জ্ঞ্যনের মানুষ বিপদ-আপদের সাথী আমাদের নূরুল ভাই

সত্যি আপনারা গর্বিত শুধু আপনাদের এখানেই নয় ময়মনসিংহেও গোবরে পদ্ম ফুল ফুটিয়েছেন। এখন তিনি কুমিল্লা জেলাবাসীর রহমত স্বরূপ হয়ে জীবনবাজী রেখে কাজ করছেন দেশের এই গর্বিত এই পুলিশ সুপার। তিনি বলেছেন আমি যতদিন এখানে আছি আল্লাহর রহমতে একটি মানুষও না খেয়ে মরবে না কথা দিলাম ইনশাল্লাহ্

তিনি ইতিমধ্যে করোনার মহামারির কারণে দক্ষ ও বিচক্ষন কর্মকর্তা দিয়ে গড়ে তুলেছেন এক বিশাল খাদ্য বিতরণ টিম, অত্যন্ত সু-শৃঙ্খল ভাবে কাজ করছেন জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে।
তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য এসআই পরিমল , এসআই এখতেখার উদ্দিন, এস আই রুহুল, এ এস আই সোবাহান, আনোয়ারসহ তার বিশ্বস্ত সহযোদ্ধাদের নিয়ে তিনি পড়েছেন এই করোনা যুদ্ধে ঝাপিয়ে

যার ফলশ্রুতিতে খাদ্য সংকটের সংবাদ কুমিলা জেলায় দেখা যাচ্ছে না।
এব্যাপারে পুলিশ সুপার সৈয়দ নূরুল ইসলাম স্যারের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমি শুধু একজন উছিলা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাংলাদেশ পুলিশের সর্বচ্চো অভিভাবক পুলিশ প্রধান আইজিপি ড. বেনজির আহম্মেদ স্যারের দিক-নির্দেশনাকে মনে-প্রাণে ধারণ করে গোটা কুমিলাবাসীর জন্য কাজ করে যাচ্ছি

আর নিজের অনুভূতি আর মানুষের প্রতি ভালোবাসার কারণে খেদমত করছি।
তিনি আরও জানান, মহান আল্লাহ তা’ আলার রহমতে আমরা যদি সকলে সরকারের নির্দেশমতে স্বাস্থ্য বিধি মনে চলি তাহলে অতি দ্রত আমরা এই বিপদ কাটিয়ে উঠবো ইনশাল্লাহ। আর সালাম জানাই আমার প্রিয় ময়মনিসংহ বাসীকে

About Pratidiner Tottho

Check Also

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত

মোঃ আব্দুল লতিফ: বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সোমবার (৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় গৌরীপুর উপজেলা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
সর্বশেষ